All News
গল্প নয়,সত্যি
গল্প নয়,সত্যি
কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার আলোচনায় কান পেতে শুনছিলাম,কেউ তিন কেউ দুই ও কেই এক তালিকা মানে গেজেট দুই জন সেনা গেজেট।
তিন তালিকায় নাম তিনজনের চেহারার মলিনতা দেখে দু'তালিকা ওয়ালা একজন বলছে,কিরে তোরা ভাতা পাইশ না-
না-কি ভাবি সাবরা সব কেঁড়ে ন্যায়,একটা ভালো পাঞ্জাবি কিনতে পারো না।
তিন তালিকা ওয়ালারা বলছে,যুদ্ধ করে কামলা খেটে খেয়ে বাচ্চাদের লেখাপড়াও শেখাইতে পারি নাই,এখন যা পাই তা দিয়ে চিকিৎসা সংসার কোন রকমে চলে-
তোরা তো মুজিব নগর সরকারের কর্মচারীর সনদ দিয়ে চাকরি করলি,এখন ছেলেমেয়েরাও চাকরি করে আর অয় তো বিএনপির রাজনীতি করে মুক্তিযোদ্ধার গেজেট করছে।
সেনা গেজেটের দুইজন পরিচিত এবং ৭৩এর মুক্তিযোদ্ধা,আমার মুখের মাক্সের কারণে চিনতে পারে নাই।
তাদের একজন বললো,তোরা কিসের জন্য যুদ্ধ করলি!
আমরা সেনাবাহিনীর পেনশন পাই মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাই ছেলেমেয়েরাও চাকরি করছে সুখেই আছি।
যাইহোক,তোরা তিনজনেই ঈদের দুই দিন আগে দেখা করিস আমি তোমাদের ও ভাবিদের কাপড় দিবো।
শুনে অপর সেনা বললো হা,আমিও তোদের কিছু ঈদের হাত খরচ দিবো।
তিন তালিকার একজন বললো,তোরা কেন আমাদের সাহায্য করবি?তোরাই তো আমাদের টা দুইনাম্বারি করে খাচ্ছিস?
আঁতে ঘাঁ,উচ্চস্বরে তর্ক-বিতর্ক।
মানে হাতাহতির পর্যায়।
তিন তালিকা ওয়ালার একজন,খুব সুন্দর করে বললো;
হারামের আরাম নাই,তোর জুয়ান বেটা চাকরিতে জয়েন করবার যায়া চিটাগাঙ্গে মটর এক্সিডেন করে মরল,উয়ার বাড়ি পোঁড়া গেল,তাও তোরা না বুঝিয়া হারাম খাওছিস,তোরা কোটেরে মুক্তিযুদ্ধ করলি?
৭০সালের নির্বাচনে ডারিপাল্লার মিছিল করলু,৭১এ কইলি আওয়ামী লীগ হিন্দু, এলা তোরা ৭৩সনে আর্মিত যায়া বঙ্গবন্ধু হত্যা করি মুক্তিযোদ্ধা হলু।
আমি মুখের মাক্স খুলে সামনে আসা মাত্র দুই সামরিক গেজেট ওয়ালা মুক্তিযোদ্ধা মুখ নিচু করে কেটে পরলো।
আমি তিন বন্ধুকে ধন্যবাদ দিয়ে,এরকম প্রতিবাদ করার অনুরোধ জানালাম।
এভাবেই তারা যেন,লোকালয়ে লজ্জা পায়-------কালেকশন মুক্তিযোদ্ধা সিৱাজুল ইসলাম এফ এফ
কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার আলোচনায় কান পেতে শুনছিলাম,কেউ তিন কেউ দুই ও কেই এক তালিকা মানে গেজেট দুই জন সেনা গেজেট।
তিন তালিকায় নাম তিনজনের চেহারার মলিনতা দেখে দু'তালিকা ওয়ালা একজন বলছে,কিরে তোরা ভাতা পাইশ না-
না-কি ভাবি সাবরা সব কেঁড়ে ন্যায়,একটা ভালো পাঞ্জাবি কিনতে পারো না।
তিন তালিকা ওয়ালারা বলছে,যুদ্ধ করে কামলা খেটে খেয়ে বাচ্চাদের লেখাপড়াও শেখাইতে পারি নাই,এখন যা পাই তা দিয়ে চিকিৎসা সংসার কোন রকমে চলে-
তোরা তো মুজিব নগর সরকারের কর্মচারীর সনদ দিয়ে চাকরি করলি,এখন ছেলেমেয়েরাও চাকরি করে আর অয় তো বিএনপির রাজনীতি করে মুক্তিযোদ্ধার গেজেট করছে।
সেনা গেজেটের দুইজন পরিচিত এবং ৭৩এর মুক্তিযোদ্ধা,আমার মুখের মাক্সের কারণে চিনতে পারে নাই।
তাদের একজন বললো,তোরা কিসের জন্য যুদ্ধ করলি!
আমরা সেনাবাহিনীর পেনশন পাই মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাই ছেলেমেয়েরাও চাকরি করছে সুখেই আছি।
যাইহোক,তোরা তিনজনেই ঈদের দুই দিন আগে দেখা করিস আমি তোমাদের ও ভাবিদের কাপড় দিবো।
শুনে অপর সেনা বললো হা,আমিও তোদের কিছু ঈদের হাত খরচ দিবো।
তিন তালিকার একজন বললো,তোরা কেন আমাদের সাহায্য করবি?তোরাই তো আমাদের টা দুইনাম্বারি করে খাচ্ছিস?
আঁতে ঘাঁ,উচ্চস্বরে তর্ক-বিতর্ক।
মানে হাতাহতির পর্যায়।
তিন তালিকা ওয়ালার একজন,খুব সুন্দর করে বললো;
হারামের আরাম নাই,তোর জুয়ান বেটা চাকরিতে জয়েন করবার যায়া চিটাগাঙ্গে মটর এক্সিডেন করে মরল,উয়ার বাড়ি পোঁড়া গেল,তাও তোরা না বুঝিয়া হারাম খাওছিস,তোরা কোটেরে মুক্তিযুদ্ধ করলি?
৭০সালের নির্বাচনে ডারিপাল্লার মিছিল করলু,৭১এ কইলি আওয়ামী লীগ হিন্দু, এলা তোরা ৭৩সনে আর্মিত যায়া বঙ্গবন্ধু হত্যা করি মুক্তিযোদ্ধা হলু।
আমি মুখের মাক্স খুলে সামনে আসা মাত্র দুই সামরিক গেজেট ওয়ালা মুক্তিযোদ্ধা মুখ নিচু করে কেটে পরলো।
আমি তিন বন্ধুকে ধন্যবাদ দিয়ে,এরকম প্রতিবাদ করার অনুরোধ জানালাম।
এভাবেই তারা যেন,লোকালয়ে লজ্জা পায়-------কালেকশন মুক্তিযোদ্ধা সিৱাজুল ইসলাম এফ এফ
Baca juga
কালেরকন্ঠ অনলাইন 24-BD
All News
আমাদের সাথেই থাকুন!
একটি অনলাইন নিউজ ভিত্তিক প্রাইভেট ব্লগ সাইট।
দেশে-বিদেশের যে কেনো স্থান থেকে যে কেনো ধরনের সংবাদ ও বিজ্ঞাপন আমাদের সাইটে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন।
মোবাইলঃ ০১৬৪৫৫৩৮৮৩৩
ই-মেইলঃbdkalerkonto.online24@gmail.com


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন