-->

পুলিশ রিমান্ডে বাধ্য হয়ে মানুষ মিথ্যা স্বীকার করে নেয়! কিন্তু কেন নেয়? বিস্তারিত পড়ুন


অনলাইন ডেস্কঃ ঘটনাটি কিছু দিন আগের,
কিশোরীকে ধর্ষনের পর হত্যার কথা জানিয়েছে পুলিশ,এগুলো সব বানোয়াট কারন ১৫ হাজার টাকা না পেয়ে নিরপরাধ ৩ টা ছেলেকে হত্যা মামলায় ফাসিয়ে দিলো নারায়ণগঞ্জ মডেল থানার এক Si. ঢাকা শহরের বিভিন্ন থানায় এ রকম অনেক পুলিশ সদস্য আছে।

নারায়নগঞ্জে এক মেয়ে বাসা থেকে পালিয়ে গেছে। বিয়ে করে সংসার শুরু করেছে।

এদিকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে খুঁজে না পেয়ে তার মা থানায় জিডি করে। থানার পুলিশ বিষয়টা নিয়ে তদন্ত করে। তদন্তে তারা আব্দুল্লাহ নামের একটি ছেলেকে পায় যে নাকি ঐ মেয়েটিকে বিরক্ত করতো। আব্দুল্লাহ ও তার সহযোগী রাকিবকে আটক করে পুলিশ।

দুই দিনের রিমান্ড নেয়। রিমান্ড শেষে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি হয়। জবানবন্দিতে তারা বলে তারা মেয়েটিকে অপহরণ করে। এরপর একটি নৌকা ভাড়া করে তাকে নৌকায় তুলে নেয়। মেয়েটিকে নির্যাতন করে অবশেষে রাত বারোটার দিকে মেয়েটিকে খুন করে। তারপর লাশ ভাসিয়ে দেয় শীতলক্ষ্যায়। এই কাজে মাঝি খলিলও তাদের সহায়তা করে।

একটি চাঞ্চল্যকর খুনের তদন্ত অল্পসময়ে করে ফেলায় সবাই পুলিশকে বাহবা দেয়।  আব্দুল্লাহ, রাকিব ও খলিল এখন কারাগারে। ঐদিকে মেয়েটি হারিয়ে যাওয়ার একান্ন দিন পর গতকাল মাকে ফোন করে। তাদের বিয়ের কথা স্বীকার করে এবং সংসার খরচের জন্য টাকা চায়।

পুলিশের রিমান্ড কী জিনিস! নিরাপরাধ তিনজন লোক হত্যার দায় স্বীকার করে এখন জেলে! তাহলে এখন বুঝে নিন  তাদের উপর কতটা অমানবিক  নির্যাতন হয়েছিল!!যার কারণে তারা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে মেয়েটিকে তারা গণধর্ষণ করে অপহরণ করে  হত্যা করে ফেলেছে! এরকম একটি ঘটনা কিছুদিন আগে হাজারিবাগ থানায় ঘটেছিলো। আর এটা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ঘটনা। এভাবেই নষ্ট হয়ে যায় হাজারো ছেলের জীবন, হাজারো ছেলের ভবিষ্যৎ। ধ্বংস হয়ে যায় হাজারো মা-বাবার স্বপ্ন।

Baca juga

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আমাদের সাথেই থাকুন!

একটি অনলাইন নিউজ ভিত্তিক প্রাইভেট ব্লগ সাইট।
দেশে-বিদেশের যে কেনো স্থান থেকে যে কেনো ধরনের সংবাদ ও বিজ্ঞাপন আমাদের সাইটে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন।
মোবাইলঃ ০১৬৪৫৫৩৮৮৩৩
ই-মেইলঃbdkalerkonto.online24@gmail.com


বিজ্ঞাপন দিন

Main Ad

সর্বাধিক জনপ্রিয় সংবাদ