-->

ধর্ষণ প্রতিরোধে কিছু আলোচনা-মোঃ আলমগীর

 

নৈতিক জ্ঞানের বিস্তার :-  নীতিজ্ঞানহীন মানুষের মগজে খারাপ কাজ করার প্রবণতাগুলো মাকড়শারজালের মতো পুরো মস্তিষ্ক আবদ্ধ করে ফেলে।এইসব মানুষের জীবন নামক সমুদ্রের পানি ধীরে ধীরে এমনভাবে ঘোলাটে হয়ে যায়;যা অন্যের জীবনকেও ঘোলা করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করে না।তারা শৈশব হতে পরিবেশ থেকে খারাপ বিষয়গুলো গ্রহণ করে আসছে।অতিসহজে কুকর্ম থেকে মুক্তি না পাওয়ার কারণ হচ্ছে তারা এইসবের পরিচালক হয়ে গেছে।নীতিজ্ঞানহীন মানুষের রিওয়ার্ড সেন্টার ডোপামিন ও অক্সিটোসিন নামের কেমিক্যাল বেশি নির্গত করে।তাই নৈতিক শিক্ষার পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।

শালীন পোশাক পরিধান :- নারীপুরুষ উভয়কে শালীন পোশাক পরিধান করা একান্ত জরুরি। অশালীন  পোশাকের কারণে মস্তিষ্ক বিকৃত হতে শুরু করে যা ধর্ষণের প্রবণতাকে বৃদ্ধি করে।অর্ধনগ্ন নারী পুরুষ দেখলে নীরবে  মস্তিষ্কে উত্তেজনার ঝড়ে লণ্ডভণ্ড করে দেয় আমাদের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সেন্টারকে যেটি আমাদের আনন্দের অনুভূতি দেয়।দিবালোকে রাস্তায়, টেলিভিশনের পর্দায়, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে ইত্যাদি জায়গায় অর্ধনগ্ন নারীকে দেখার পর উত্তেজনার অনুভূতি সৃষ্টি হয়।এইসব ঘটনা ঘুমের ঘরে কল্পনার জগতে হৃদয়ের আয়নায় আবার একইরূপে স্পষ্ট দেখতে পায় এবং এই নিয়ে বিশ্লেষণ করতে করতে উত্তেজনার হার চক্রবৃদ্ধিহারে বৃদ্ধি পেতে থাকে।ফলে সেই নিজেকে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত করে।এটি মস্তিষ্ক বিকৃত হওয়ার মাধ্যম হিসাবে কাজ করে।এই বিকৃত মন মনসিকতার ধূলাবলি থেকে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ নারীরাও রক্ষা পায় না ধর্ষেকের হাত থেকে ।

পর্নোগ্রাফি সাইড বন্ধ করা:-বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে পর্ন দেখা সহজলভ্য হওয়ার কারণে আমাদের মস্তিষ্ক উষ্কখুষ্ক হয়ে গেছে।নর্দামার পানির মতো খারাপ দিকে প্রবাহিত হয়।অধিকাংশ ধর্ষেকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে অনেকটা পর্ন দেখার বিষয়টা চলে আসে।প্রশ্ন আসতে পারে, পর্ন দেখে সবাই  সবাই ধর্ষক হয় না।উত্তরটা এইভাবে দেওয়া যায়, সকল পর্নোগ্রাফি আসক্ত ব্যক্তি কল্পনায় কিংবা প্রকাশ্যে কোন না কোনভাবে কাউকে না কাউকে ধর্ষণ করে। কেউ কি আছে এইসব বন্ধ করার?

ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার করা:-ধর্ম মানুষকে নীতি নৈতিকতার শিক্ষা দিয়ে কুকর্ম বর্জন করতে শিখায়।ধর্মের শৃঙখলার শিকল অনৈতিক কর্মে থেকে বিরত রাখে।ধর্মের ক্ষুদ্র অংশ মানুষকে দিয়ে ধর্ম বিবেচনা না করে ধর্মের দলিল কিংবা সংবিধানকে বিশ্লেষণ করলে তা উপলব্ধি করা যাবে।ধর্মীয় শিক্ষা উন্নত করা একান্ত প্রয়োজন।

আইনের শাসনের সঠিক প্রয়োগ:-আইন মানা যেমন জনগনের দায়িত্ব আইন মানতে বাধ্য করাও সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব।আইনের শাসন ও সঠিক বিচারের শাস্তির ভয় ধর্ষণ ছাড়াও সকল অপকর্ম থেকে বিরত রাখে।প্রধান মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায় ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যু দন্ড করার জন্য।এসিড নিক্ষেপের মতো বিভিন্ন বিজ্ঞপনের মাধ্যমে এই আইনটি প্রচার ও আইনের শাসন প্রয়োগ হলে ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ পাব বলে আশাবাদী।

(অলসতা বাকি কারণগুলোকে শেষ করে দিছে)



মো:আলমগীর 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

Baca juga

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আমাদের সাথেই থাকুন!

একটি অনলাইন নিউজ ভিত্তিক প্রাইভেট ব্লগ সাইট।
দেশে-বিদেশের যে কেনো স্থান থেকে যে কেনো ধরনের সংবাদ ও বিজ্ঞাপন আমাদের সাইটে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন।
মোবাইলঃ ০১৬৪৫৫৩৮৮৩৩
ই-মেইলঃbdkalerkonto.online24@gmail.com


বিজ্ঞাপন দিন

Main Ad

সর্বাধিক জনপ্রিয় সংবাদ